ঘরে এই সাতটি জিনিস রাখলে আপনার সংসারের সব অভাব কেটে যাবে…

“বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর” এই প্রবাদবাক্যটি লোকমুখে ঘুরে বেরায়। বিশ্বে এমন অনেক জিনিসই রয়েছে যার কোনও ব্যাখ্যা নেই। দিনের পর দিন শুধুমাত্র বিশ্বাসের জেরেই মানুষ সেই সমস্ত জিনিস ব্যবহার করেন। বাড়ির বাস্তুতন্ত্র ঘিরেও রয়েছে এমন কিছু বিশ্বাস। আমরা ঘর সাজাই নানান প্রসাধনী দ্রব্য দিয়ে। কোন জিনিসের কি উপকারীতা তা না জেনেই ঘরে রেখে দি। তার যেমন সুফল থাকে তেমন কুফলও থাকে অনেক। কিন্তু হিন্দু শাস্ত্র বলছে যে এমন কিছু জিনিস আছে যা ঘরে রাখলে আপনার সংসারে কখনো অভাব কিংবা অশান্তি আসবে না, বইবে সুখের হাওয়া। আসুন তবে সেই ৭ টি জিনিস সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

ময়ূরের পালক – ময়ূরের পালককে আমরা একটি শুভ জিনিস হিসাবে দেখে থাকি। হাতের কাছে তা পেলে যত্ন করে রাখি। ময়ূরের পালক রাখলে বাড়িতে শুভ শক্তি বজায় থাকে। দূর হয় সংসারের অর্থাভাব। এটি পজেটিভ শক্তির মাত্রা বাড়ায়, শনির দোষ কাটায়, কর্মক্ষেত্রে উন্নতি লাভ করে, রগ-ব্যাধিকে দূরে রাখে।

রুপোর হাতি – বাড়িতে সিন্দুক বা লকারের মধ্যে রুপোর হাতি রাখুন। এটি করতে কিছু খরচ হলেও বাড়িতে সমৃদ্ধি আনতে এর জুড়ি মেলা ভার। তাছাড়াও এটি আপনার ভাগ্য বদলাতে সাহায্য করবে।

পুজোর জন্য তামার বাসন – পুজোর জন্য স্টিলের বাসন ব্যবহার না করে তামার বাসন ব্যবহার করুন। এতে পুজো শীঘ্রই সফল হবে। তাছাড়াও বাড়িতে যদি পুরানো কোন তামার বাসন থাকে তবে সেগুলি ফেলে না রেখে ব্যবহার করুন।

শ্রীযন্ত্র – দেবী লক্ষ্মীর কৃপা থাকলে সংসারে অভাব থাকে না। এই মহামূল্যবান যন্ত্র দেবী লক্ষ্মীকে তুষ্ট রাখে, তাই রোজ তার পুজো করুন। ঘর পরিষ্কার রাখুন।

মধু – বাস্তু অনুযায়ী মধু খুবই শুভ। মধু আমাদের শরীরের পক্ষে খুব উপকারী, বিভিন্ন রোগের উপসর্গ হিসবে মধু ব্যবহার হয়। তেমনই ঘরের এক জায়গায় মাটির বাসনে মধু রাখুন, এতেও সংসারের অভাব অনটন দূর হবে।

রুপোর লক্ষ্মী-গণেশ মূর্তি – রুপোর মূর্তি তুলনামূলকভাবে ব্যায়বহুল হলেও ঘরের ঠাকুর সিংহাসনে রুপোর লক্ষ্মী ও গণেশের মূর্তি রাখলে সংসারে পরিপূর্ণতা আসে। সংসারের সমস্ত অশান্তির অবসান ঘটবে, অভাব দূর হবে।

গোটা হলুদ – গোটা হলুদ যেমন বেটে গায়ে মাখলে রোগ জীবানু নিরাময়ক হিসাবে কাজ করে তেমনি বাড়ির সিন্দুক বা লকারে গোটা হলুদ রাখুন। টাকার সঙ্গে হলুদ রাখলে অর্থের বৃদ্ধি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *